Home » Bengali, News, ইত্তেফাক

শ্রদ্ধা ভালবাসায় জাতি স্মরণ করলো শ্রেষ্ঠ সন্তানদের

30 November 2008

http://ittefaq.com.bd/content/2009/12/15/news0492.htm

এ সরকারের মেয়াদেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে ঃ আশরাফ

০ ইত্তেফাক রিপোর্ট

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পরম শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় জাতি স্মরণ করেছে ১৯৭১ সালে তৎকালীন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর, আলশামস ও রাজাকারদের হাতে নিহত শহীদ শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, পেশাজীবীসহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। গতকাল সোমবার দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী নেয়া হয়েছিল নানা কর্মসূচি। ভোরের আলো ফুটবার পর থেকেই মানুষের স্রোত গিয়ে মিশে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের বেদীমূলে। সাদা জমিনে কালো পাড় পরে এসেছিল মেয়েরা, আর ছেলেরা সাদা পাঞ্জাবি পরে হাতে ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে একাত্তরে নিহত জাতির বীর শহীদদের। ছোট্ট শিশু এবং শিশু সংগঠনের ক্ষুদে সদস্যরা এসেছিল দলে দলে। তাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শিশু-কিশোররাই সবচেয়ে বেশি উৎসাহ নিয়ে জমায়েত হয়েছিল স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে।

সকালে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান প্রথম ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে দিবসের সূচনা করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুল দিয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজতে থাকে। এর আগে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান স্মৃতিসৌধস্থলে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম তাকে অভ্যর্থনা জানান। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় সাজেদা চৌধুরী ও মতিয়া চৌধুরীসহ দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে। ইতিমধ্যেই বিচারকার্যের প্রাথমিক পর্যায় শেষ হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে। তিনি বলেন, আমাদের আরেকটি বড় অঙ্গীকার বঙ্গবন্ধু হত্যার রায় কার্যকর করা। অচিরেই এই রায় বাংলার মাটিতে কার্যকর হবে।

সকাল ৮টার কিছু পরে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তরিকুল ইসলাম, মির্জা আব্বাস, এম কে আনোয়ার, ব্রিগেডিয়ার (অব) আসম হান্নান শাহ প্রমুখ। পরে জাতীয় পার্টি (এ) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এর পরপরই স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য দীর্ঘ লাইনে প্রতীক্ষা করেন। তারা একে একে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে। শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তারা এ সময় বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের বিচারের দাবি জানান। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ও সিপিবিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।

১৯৭১ সালের নয় মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ঠিক দু’দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানী দখলদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে যায়। পরে বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের বিকৃত লাশ উদ্ধার করা হয়। অনেকের লাশের সন্ধান পাওয়া যায়নি। পাকহানাদাররা তাদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে বাঙ্গালি জাতিকে নেতৃত্ব ও মেধাশূন্য করতেই এ হত্যাকাণ্ড চালায়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পালন করেছে ১১ দল, ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, জাতীয় জনতা পার্টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ ন্যাপ, ভাসানী স্মৃতি সংসদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা, মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিজম ডেমোক্রেটিক পার্টি, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, আওয়ামী যুবলীগ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী হকার্স লীগ, নাগরিক সমাজ, যুব মৈত্রী, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, বঙ্গবন্ধু শিল্পীগোষ্ঠী, জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্ট, মোবাইল ফোন লোড ব্যবসায়ী এসোসিয়েশন, ইসলামী ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র পরিষদ ঢাকা, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য পরিষদ, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি, বিক্ষুব্ধ দেশবাসী, ইসলামী ঐক্যজোট, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ, সাউন্ডবাংলা, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট, বঙ্গবন্ধু নাগরিক সংহতি পরিষদ, জাতীয় কবি সংসদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদ, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট, বিশ্ব বাঙ্গালি সম্মেলন, আছাদুজ্জামান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন, গণ-আজাদী লীগ, যুব ইউনিয়ন, বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমী, স্বাধীনতা ফাউন্ডেশন, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ।

জেপির শ্রদ্ধা নিবেদন

জেপি নেতৃবৃন্দ দলের মহাসচিব এবং সাবেক মন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে সকালে বুদ্ধিজীবী মাজারে এবং পরে রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী মাজারে জেপির অন্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মফিজুল হক বেবু, ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান, এজাজ আহমেদ মুক্তা, মোঃ হোসেন আলী সর্দার, যুগ্ম মহাসচিব আজিজ বাঙাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু, দপ্তর সম্পাদক এম, সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, যুগ্ম কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আঃ হালিম, যুব সংহতির আহ্বায়ক এম, এ কাইয়ুম, সদস্য সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, যুব নেতা মোঃ সরোয়ার, জেড সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক মীর হারুনুর রশিদ, সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম তপন, সাবেক ছাত্র নেতা সাব্বির আহমেদ করিম, ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন সাগর প্রমুখ। রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে জেপির উপরোক্ত নেতৃবৃন্দসহ আরো উপস্থিত ছিলেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোঃ জয়নাল আবেদীন।

সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম

সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ও মুক্তিযুদ্ধ ’৭১-এর পক্ষ থেকে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, এক মিনিট নীরবতা পালন ও যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) এ কে খন্দকার বীর উত্তম, মেজর জেনারেল (অব) একেএম শফিউল্লাহ বীর উত্তম, মেজর জেনারেল (অবঃ) সিআর দত্ত বীর উত্তম, লে. জে (অবঃ) হারুন-উর রশিদ বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অবঃ) জামিল ডি আহসান বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অবঃ) মাসুদুর রহমান বীর প্রতীক, সাবেক রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল আলম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ম. হামিদ প্রমুখ।

এ কে খন্দকার বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শিগগিরই শুরু হবে। বিচারের আয়োজনও সরকার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছে। পরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের পাদদেশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ

ভোর থেকেই রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নেমেছিল। রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সবাই এসেছিল জাতির বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে। এদিকে অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধী ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের বিচারের দাবিতে প্রজন্ম ’৭১ সকালে ৩০০ ফুট লম্বা ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করে। এছাড়া কেন্দ্রীয় খেলাঘরের শিশু সদস্যরা একাত্তরের বধ্যভূমি নিয়ে একটি কোরিওগ্রাফি পরিবেশনায় অংশ নেয়। এ পরিবেশনার উদ্বোধন করেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

এই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, বৈদেশিক ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এ কে খন্দকার, আইন প্রতিমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলাম, তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এড. আব্দুল মান্নান খান, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ বি ক্যাপ্টেন (অব.) তাজুল ইসলাম, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, জাতীয় সংসদের হুইপ মীর্জা আযম, জাতীয় পার্টি (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, উন্মুক্ত বিশ্বদ্যিালয়ের উপাচার্য আমিনুর রশীদ প্রমুখ রাজনৈতিক ব্যক্তি।

যেসব সংগঠন পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সেগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি), ছাত্রলীগ, প্রজন্ম ’৭১, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন, যুব মহিলা লীগ, ইডেন কলেজের ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দ, মোহাম্মদপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, রাজারবাগ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমবায় সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মৈত্রী, জাফরাবাদ আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চেতনা বিকাশ কেন্দ্র, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, রিক্সা মালিক সমিতি, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, মোহাম্মদপুর থানা কৃষক লীগ, নাগরিক উদ্যোগ, আলহাজ্ব মকবুল হোসেন কলেজ, ডা. মালিকা কলেজ, মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, টিএনটি কর্মচারী ফেডারেশন ইউনিট, রেল শ্রমিক লীগ প্রভৃতি।

Keywords/

Added by: foyezur

Leave your response!

Add your comment below, or trackback from your own site. You can also subscribe to these comments via RSS.

Be nice. Keep it clean. Stay on topic. No spam.

You can use these tags:
<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

This is a Gravatar-enabled weblog. To get your own globally-recognized-avatar, please register at Gravatar.