Articles Archive for 3 December 2009
Blog, সচলায়তন »
যাঁরা পোস্টটি পড়ছেন, তাঁরা কি কষ্ট করে একটা কাজ করবেন? আপনার পরিচিত শিশু কিশোরদেরকে এই পোস্টের লিংক পাঠান, কিংবা পড়তে দেন। আগামী প্রজন্মের জানা দরকার, কাদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীন। পাঠ্যপুস্তকে অনেকেই বিশেষ করে ইংরেজি মাধ্যমের বা মাদ্রাসা মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা এসব হয়তো পড়ে না — বাংলা মাধ্যমেও এখন কতটুকু আছে কে জানে। তাই শিশু কিশোরদের জানান, পড়তে দিন আমাদের বীরশ্রেষ্ঠদের বীরত্বের গাঁথা।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বাংলার ইতিহাসে এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়। এই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী এবং তার স্থানীয় দোসর জামাত, আল-বদর, আল-শামস, ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন বাংলার আপামর …
Article, Bengali, Dhaka, History, Leadership, Memorial, Politics, ইত্তেফাক »
মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন পাকিস্তানে, জেলে। সেখানে তাঁর বিচারের নামে প্রহসন চলছিল। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু নিজে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে না পারলেও সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীর প্রেরণার উৎসে ছিলেন তিনি। মুখে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান আর হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রেরণাকে ধারণ করে যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন আবালবৃদ্ধবনিতা। যে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা কৃষি কাজ ছাড়া কিছুই জানতো না, যুদ্ধে বোমার আঘাতে তার এক পা উড়ে গেলেও ০ াইফেল হাতে এমবুশ পেতে বসে থাকে। যাতে সহ-মুক্তিযোদ্ধারা সরে যেতে পারে আর পাকবাহিনী সামনে …
Bengali, Blog, Freedom Fighter, History, সামহোয়ারইন »
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩১
কবে থেকে স্কুল বন্ধ হয়ে গেল জানিনা, তবে স্কুলে যেতে হচ্ছেনা সেইটাই আমাদের মহানন্দ। শুধুই স্কুল নয়, আমাদের আরও অনেক কিছু বন্ধ হয়ে গেল। এই সময়ে অর্থাৎ বসন্তে রেল স্টেশনে দূর দূরান্তের গ্রাম থেকে গরুর গাড়িতে আখ আসত। সেই আখ মেশিনের পাল্লায় মেপে ওয়াগনে উঠে দর্শনা চিনিকলে যেত। আমাদের প্রথম টার্গেট ছিল গরুর গাড়ি! গাড়োয়ানের পেছনে বিশাল আখের বোঝা, তাই পেছনে কি হচ্ছে সে দেখতে পেতনা। আমরা টাইট করে বাঁধা আঁটি থেকে টেনে টেনে আখ বের করতাম। কখনো গরুর গাড়ির ‘অপারেশন’ ফেল মারলে চড়াও হতাম …
Bengali, News, সংবাদ »
একাত্তুরে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের মাস এই ডিসেম্বরের প্রতিটি দিন যেন বাঙালির বিজয়ের দিন। একটি দিন যাচ্ছে আর একটি করে বিজয়ের বার্তা আসছে স্বাধীনতাকামী বাঙালি জনগোষ্ঠীর কাছে। যুদ্ধজয় আর স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর বাঙালি জাতি ডিসেম্বরের শুরু থেকে প্রতিদিনই বিজয়ের পথে এগিয়ে যেতে থাকে।
ডিসেম্বরের প্রথম দুই দিনেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা দিচ্ছে। অবশ্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে আরও পরে। ইতোমধ্যেই লাখ লাখ বাঙালি উদ্বাস্তু নিজ বাসভূমি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে ভারতের মাটিতে। এ প্রেক্ষাপটে মুক্তিবাহিনীর প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। …
Bengali, Letter, সংবাদ »
১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধ হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ৭১ সনে দেশ শত্রুমুক্ত হয়। ১৯৭২-৭৩ সনে সরকারের সিদ্ধান্ত মতে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সংস্থায়, সরকারি, আধাসরকারি, সেনাবাহিনীতে সর্বোপরি বিভিন্ন ক্যাডার সার্ভিসে চাকরি প্রদানের প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু হয়।
বিশেষ বিবেচনায় ক্যাডার সার্ভিসের মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল ৩৫ বছর। অন্যান্য ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা যাহাই নির্ধারণ হয়ে থাকুক না কেন ক্যাডার পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নূ্যনতম স্নাতকডিগ্রি। স্নাতক ডিগ্রিধারী একজন ব্যক্তির বয়স নূ্যনতম ২০ বছর। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিতে হলে আরও দুই বছর। মোট ২২ বছর এর কম হলে শিক্ষানীতির পরিপন্থি, যা তখনও ছিল এখনও আছে।
ফলে, ১৯৭২ সনে …
Article, Bengali, Dhaka, History, প্রথম আলো »
বিজয়ের মাস: ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১
৩ ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্তান বিমানবাহিনী ভারতের পশ্চিম সীমান্তের কতক শহরে হামলা চালিয়ে ভারত-পাকিস্তান সর্বাত্মক যুদ্ধের সূচনা করে। পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর নাজেহাল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান কেন ভারত আক্রমণ করে যুদ্ধের সূচনা ঘটাল, সেটা অনেকের কাছে বড় জিজ্ঞাসা হয়ে রয়েছে। এর আগে ভারত মুক্তিবাহিনীর সমর্থনে সীমান্ত অতিক্রম করলেও তা ছিল সীমিত সংখ্যায় ও সীমিত আকারে। ভারত যুদ্ধ শুরুর দায় নিজের কাঁধে নিতে চাইছিল না। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন প্রদানের নীতি গ্রহণের পরও এ ক্ষেত্রে ভারতের দ্বিধার মূল কারণ ছিল, বিশ্বের সামনে নিজেকে আক্রমণের সূচনাকারী হিসেবে চিহ্নিত হতে …
Bengali, Dhaka, Memorial, News, প্রথম আলো »
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | তারিখ: ০৩-১২-২০০৯
কয়েকজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাম বাদ পড়ায় এবং কয়েকজন অমুক্তিযোদ্ধা ও একজন রাজাকারের নাম মুক্তিযোদ্ধা শহীদ স্মৃতিফলকে স্থান পাওয়ায় সাতক্ষীরার শহীদ স্মৃতিফলকটি চার বছরেও উদ্বোধন করা সম্ভব হয়নি।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সূত্রে জানা গেছে, ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সংলগ্ন সাতক্ষীরা-খুলনা সড়কের পাশে গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে শহীদ স্মৃতিফলকের নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০০৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ইনামুল হক বিশ্বাস জানান, মুক্তিযোদ্ধা নন এবং মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা করেছেন এমন কয়েকজনের নাম শহীদ স্মৃতিফলকে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অপরদিকে স্মৃতিফলকে সাতক্ষীরার অনেক শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাম লেখা …
