Home » Archive

Articles Archive for 4 December 2009

Bengali, Blog, Freedom Fighter, History, সামহোয়ারইন »

[4 Dec 2009 | No Comment ]

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৯
ট্রাক্টরটা ঘটাং ঘটাং করে ছুটে চলেছে। দুপাশে বড় বড় ছাতার মত শিরিষ গাছের সারি পেছনে চলে যাচ্ছে। ছোটখাট কোন ঝাঁকিতেও পেছনের ট্রলিদুটো বেয়াড়া ভাবে দুলে উঠছে। একটানা ইঞ্জিনের গর্জন ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। কি ভেবে যেন ট্রলির কেউই কোন কথা বলছেনা। হয়ত অজানা দেশের কথা ভেবে কিংবা কি এক আশংকায় সবাই জড়সড় হয়ে কুন্ডলি পাকিয়ে বসে আছে। বিকেলের ধক্কল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি আমি। চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পাচ্ছি বড় বাজারের চৌরাস্তায় বোমা! সে সময় খেয়াল হয়নি, এখন এই ট্রলিতে বসে হাঁটুর কাছে হাত …

Bengali, Dhaka, Freedom Fighter, News, প্রথম আলো »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ | তারিখ: ০৪-১২-২০০৯
আনোয়ারা খাতুন ৩৮ বছর ধরে বস্তিতে থাকেন। সে তো অনেকেই থাকেন। এর চেয়ে বেশি দিন ধরেও বস্তিতে আছেন অনেকে। কিন্তু সেই অনেকের সঙ্গে আনোয়ারা খাতুনের একটি পার্থক্য আছে। আনোয়ারা বস্তিতে আছেন একটি বাড়ির মায়ায়।
বস্তির বাইরে এলেই চোখে পড়ে দোতলা পাকা বাড়ি। এই পাকা বাড়িতেই ১২ বছর বয়সে বউ হয়ে এসেছিলেন আনোয়ারা খাতুন।
এই বাড়িতেই হয়তো কেটে যেত বাকিটা জীবন। কিন্তু সব বদলে দিল এক একাত্তর। একাত্তরের ধাক্কায় আনোয়ারা হারালেন স্বামীকে, আর হারালেন বাড়িটি।
আনোয়ারাদের বাড়িতে ক্যাম্প বানিয়ে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে পাকিস্তানি বাহিনী। তখন স্ত্রী আনোয়ারাকে নিয়ে …

Bengali, News, সংবাদ »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

আজ ৪ ডিসেম্বর। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের চতুর্থ দিন। আগের তিন দিনের চেয়ে আরও শক্তি নিয়ে একদিকে বাংলার অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধারা, অন্যদিকে মিত্রবাহিনী একের পর এক হামলা চালাতে থাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর।
একাত্তরের ডিসেম্বরে বাঙালি জাতি দীর্ঘ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। আর এজন্য জীবন দিতে হয়েছে ৩০ লাখ মানুষকে। এসব বীর শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা লাভ করেছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
এই যুদ্ধের প্রস্তুতি দীর্ঘদিনের হলেও মূল যুদ্ধ শুরু হয় একাত্তরের ২৬ মার্চ থেকে। আর তা পরিণতি লাভ করে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরে।
একাত্তরে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর যত এগিয়ে যায় সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে …

Bengali, News, সংবাদ »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

আজ ৪ ডিসেম্বর। ফুলবাড়ী মুক্ত দিবস। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় লাভের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ীবাসী হানাদারমুক্ত হয়। ‘৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি খানসেনাদের গণহত্যার সংবাদ পরদিন ২৬ মার্চ ফুলবাড়ীতে পৌঁছলে সর্বস্তরের মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকার এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে ২৬ মার্চ সকালে সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে বের করা হয় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল। বিক্ষোভ মিছিলটি রেলস্টেশন হতে কাঁটাবাড়ি হয়ে বাজার এলাকায় যাবার পথে বিহারীপট্টি এলাকায় প্রবেশ করা মাত্র বিহারীরা মিছিলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে বেশ কয়েকজন মিছিলকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। ফলে শুরু হয় …

Bengali, সংবাদ »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এডভোকেট মো. আজিজুর রহমান, এমএনএ’র ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৪ ডিসেম্বর। ১৯৯১ সালের এই দিনে দিনাজপুরে অবহেলিতভাবে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মো. আজিজুর রহমান ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ছিলেন দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি।
মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিপর্বে তিনি ছিলেন দিনাজপুর জেলা সর্বদলীয় ঐক্যপরিষদের আহ্বায়ক। মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সরকার গঠনের পর তিনি ছিলেন বৃহত্তর দিনাজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সমন্বয় পরিষদের সভাপতি এবং প্রবাসী সরকার সুনিয়ন্ত্রিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা শুরু করলে, মো. আজিজুর রহমান এমএনএ, মুক্তিযুদ্ধের ৭নং সেক্টর এবং ৬নং সেক্টরের (অর্ধেক) সিভিল এফেয়ার্স এডভাইজার, ফ্রিডম ফাইটার রিক্রুটিং এন্ড লিয়াজোঁ …

Article, Bengali, সংবাদ »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

সরাইল থানাধীন পানিশ্বর উত্তর ইউনিয়নে বিটঘর। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বেরোড থেকে বেড়তলা হয়ে আনুমানিক ৭ কিলোমিটার উত্তরে, আশুগঞ্জ বেড়তলা হয়ে ১২ কিলোমিটার পূর্বে, মেঘনা নদী থেকে সোজাসুজি ২ কিলোমিটার পূর্বে এ অৎপাড়া গাঁয়ের অবস্থান। মুক্তিযুদ্ধে এ গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের বীরোচিত আত্মত্যাগ আজও জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি তো পায়ইনি- থানার তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ মুক্তিযোদ্ধাই এ ব্যাপারে কিছু জানেন না। আবার অনেকে মুখ খুলতে ভয় পান।
বিটঘর গ্রামের পশ্চিম পাশঘেঁষে উল্টর-দক্ষিণে ছোট খাল নামে পরিচিত একটি খাল রয়েছে। আয়েত উল্লাহ শাহের মাজার থেকে আনুমানিক ৩শ’ গজ দক্ষিণে এবং ছোট খালের পূর্ব পাশে এক সঙ্গে নিহত …

Bengali, Editorial, সংবাদ »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে গত ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে সর্বসম্মতভাবে বিজ্ঞ বিচারকরা বাঙালি জাতির জনক হত্যার বিচারের রায় দেয়াতে আমাদের সার্বিক দায়মুক্তির পথ অনেকাংশে প্রশস্ত হলো_ এক ধাপ অগ্রগতি হলো। এতে একদিকে যেমন আনন্দে অভিভূত হওয়ার প্রকৃতই কারণ আছে_ তেমনি আবার আত্মহারা হলে প্রভূত ভুল হবে। ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের তাৎপর্যপূর্ণ বিজয় এ জাতি সগৌরবে অর্জন যেমন করেছে_ তেমনই আবার লাখো মানুষের কাছে তার দায়ও কোন অংশে কম নয়, কম নয় কলঙ্ক কালিমা।
যদি ইতিহাসের পাতা থেকে আমাদের ওই বিজয়ের ও কলঙ্কগুলোর ইতিবৃত্ত …

Bengali, News, সংবাদ »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

চতুর্দিক থেকে সাক্ষীপ্রমাণে আদালতে যখন স্বীকৃতি দেয়া হয় এবং খুনি নিজেও স্বীকারোক্তিমূলক জবান দিয়েছে যে, সে খুনি তখন বিচারক রায় দিয়ে থাকেন ওই খুনিকে ফাঁসি দেয়ার জন্য অথবা যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়ার জন্য। কিন্তু এদেশে খুনির পক্ষে আইনজীবীরা আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পকেটস্থ করার লোভে নানা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। ৩৪ বছর পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসির রায় হয়েছে যা ৭ দিনের মধ্যে কার্যকর হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল কিন্তু সময় দেয়া হয়েছে ২১ থেকে ২৭ দিন এবং রাষ্ট্রপতির কাছে জীবন ভিক্ষার সুযোগ দিয়ে কিন্তু রাষ্ট্রপতি তা করবেন কেন তার নিজের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ১৫ জনকে …

Bengali, News, সংবাদ »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

জাতীয় স্মৃতিসৌধ : স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত লাখ লাখ মানুষের সাহসিকতার সম্মানে নির্মিত এক অমর কীর্তি জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সম্মিলিত প্রয়াসে সে বিজয় ছিনিয়ে আনা হয়েছিল তারই কথা বলে এ স্মৃতিস্তম্ভ। ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত স্থপতি মইনুল হোসেনের অমরকীর্তি জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও এর চারপাশে চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশ হৃদয়ে দোলা দেবেই। সৌধের অনবদ্য নকশা স্মরণ করিয়ে দেয় কষ্টার্জিত স্বাধীনতা যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়কে। স্মৃতিসৌধের নকশায় সাতটি সমদ্বিবাহু ত্রিকোনাকৃতির পিরামিড ফলক স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি পর্যায়ের নির্দশন। এর প্রাঙ্গণে আছে স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত শহীদদের ১০টি গণকবর। প্রধান অবকাঠামোর সঙ্গে আছে একটি কৃত্রিম লেক, সঙ্গে আরও কিছু …

Article, Bengali, Dhaka, History, ইত্তেফাক »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

ইতিহাসের এইদিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথে মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রযাত্রা নতুন মাত্রা লাভ করে। মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবলের কাছে সমস্ত বাধাই তখন তুচ্ছ। একাত্তরের ৪ ডিসেম্বর থেকেই বিভিন্ন অঞ্চল মুক্ত হতে থাকে। সে খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। সেই বিজয়ের বার্তা যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের করে তোলে আরো দুর্বার, অপ্রতিরোধ্য। ডিসেম্বরে মুক্তিবাহিনী যখন ভারতীয় বাহিনীর সাথে যৌথ আক্রমণে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে তখন সম্মুখ সমরে তো বটেই আন্তর্জাতিকভাবেও পায়ের তলার মাটি হারাচ্ছিল পাকিস্তান। রণাঙ্গনে যখন যুদ্ধ চলছিল তখন আরেক যুদ্ধ চলছিল জাতিসংঘে, বাংলাদেশের পক্ষ ও বিপক্ষ শক্তির মধ্যে।
৪ ডিসেম্বর ১৯৭১। জাতিসংঘের
সদর দপ্তরে তখন দারুণ উত্তেজনা। জাতিসংঘের নিরাপত্তা …

Article, Bengali, Dhaka, History, প্রথম আলো »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

বিজয়ের মাস : ৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
মফিদুল হক | তারিখ: ০৪-১২-২০০৯
৩ ডিসেম্বর যুদ্ধ শুরু করে পাকিস্তান নিজের ফাঁদে নিজেই পা দিয়েছিল। আকস্মিক বিমান হামলা ঘটানোর কারণ হিসেবে পাকিস্তান পশ্চিম রণাঙ্গনে ভারতের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছিল। এই অভিযোগ ছিল অলীক এবং পাকিস্তান দুনিয়ার কাউকে সেটা বোঝাতে পারেনি। বুঝেছিলেন কেবল পাকিস্তানপ্রেমী দুই মার্কিন গবেষক রিচার্ড সিশন ও লিও রোজ। পণ্ডিত মহলে সুপরিচিত ও সমাদৃত গ্রন্থ ওয়ার অ্যান্ড সেসেশন: পাকিস্তান, ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য ক্রিয়েশন অব বাংলাদেশ-এ তাঁরা দেখাতে চেয়েছেন, যুদ্ধ তো অনেক আগে, ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছিল যখন ভারত সীমানা পেরিয়ে পূর্বাঞ্চলে …

Article, Bengali, Dhaka, History, প্রথম আলো »

[4 Dec 2009 | Comments Off ]

বিজয়ের মাস : ৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
মফিদুল হক | তারিখ: ০৪-১২-২০০৯
৩ ডিসেম্বর যুদ্ধ শুরু করে পাকিস্তান নিজের ফাঁদে নিজেই পা দিয়েছিল। আকস্মিক বিমান হামলা ঘটানোর কারণ হিসেবে পাকিস্তান পশ্চিম রণাঙ্গনে ভারতের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছিল। এই অভিযোগ ছিল অলীক এবং পাকিস্তান দুনিয়ার কাউকে সেটা বোঝাতে পারেনি। বুঝেছিলেন কেবল পাকিস্তানপ্রেমী দুই মার্কিন গবেষক রিচার্ড সিশন ও লিও রোজ। পণ্ডিত মহলে সুপরিচিত ও সমাদৃত গ্রন্থ ওয়ার অ্যান্ড সেসেশন: পাকিস্তান, ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য ক্রিয়েশন অব বাংলাদেশ-এ তাঁরা দেখাতে চেয়েছেন, যুদ্ধ তো অনেক আগে, ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছিল যখন ভারত সীমানা পেরিয়ে পূর্বাঞ্চলে …