Home » Archive

Articles Archive for 6 December 2009

Art, Article, Bengali, Dhaka, Freedom Fighter, History, Intellectuals, Memorial, ইত্তেফাক »

[6 Dec 2009 | Comments Off ]

বাংলাদেশ কৃষি বিশ¡বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু তথ্যের জন্য পুরানো পত্রিকা ঘাটতে গিয়ে অধুনালুপ্ত ‘দৈনিক বাংলার বাণী’-তে কথাশিল্পী শওকত ওসমানের ‘স্মৃতিখন্ড : মুজিবনগর’ লেখাটি পড়ছিলাম। ১৭ শ্রাবণ ১৩৯৮ (০২ আগস্ট ১৯৯১) প্রকাশিত বাংলার বাণী পত্রিকায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর অবিস্মরণীয় একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন তিনি। বিষয়টি আদ্যোপান্ত জানার জন্য হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী নাইব উদ্দিন আহমেদকে। একাত্তরে যিনি রাইফেলের পরিবর্তে কাঁধে ক্যামেরা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেমেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের প্রধান …

Article, Bengali, Dhaka, History, ইত্তেফাক »

[6 Dec 2009 | Comments Off ]

মুক্তিযুদ্ধের শেষার্ধে ভারতীয় মিত্রবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দিলে লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। যৌথ এ বাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণে দিশেহারা পাকিস্তানী বাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। একের পর এক এলাকা শত্রু মুক্ত হতে থাকে। আজ ৬ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, লালমনিরহাট জেলাসহ যশোরের চৌগাছা, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, নীলফামারীর ডোমার, সুনামগঞ্জের ছাতক, ঝিনাইদহের মহেশপুরসহ বিভিন্ন এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। লড়াইয়ে টিকতে না পেরে হানাদাররা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এসব এলাকা মুক্তাঞ্চল ঘোষণা করে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দেন বাংলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা। ইত্তেফাক সংবাদদাতাদের পাঠানো আরো খবর:
সুনামগঞ্জ: পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে …

Bengali, Dhaka, History, News, ইত্তেফাক »

[6 Dec 2009 | Comments Off ]

৬ ডিসেম্বর ১৯৭১। ভারত এদিন স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল সে প্রেক্ষাপটে ভারতের এ স্বীকৃতি অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। আজ মুক্তিযুদ্ধের এতদিন পর ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা যত সহজ শোনায় যুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে যখন বাংলাদেশের পাশে একমাত্র ভারত সরকারই পরম বন্ধুর মত পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল, তখন সে রকমটি ছিল না। মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশের বিপন্ন মানুষদের আশ্রয় দেবার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের সবরকম সহযোগিতা করেছে এবং পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যাতে মুক্ত করা যায় সে ব্যাপারেও দেশটির সরকার …

Bengali, Dhaka, News, War Crime, ইত্তেফাক »

[6 Dec 2009 | Comments Off ]

যুদ্ধাপরাধী বিচারে আদালত শুরু হচ্ছে আজ রবিবার। তবে এই আদালতের জন্য আব্দুল গনি রোডে যে স্থান নির্বাচন করা হয়েছে সে ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।
ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতা শাহরিয়ার কবির একটি বেসরকারি টেলিভিশনে জানান, পাকিস্তান সরকার একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ বিচারের সমর্থনে তেমন কিছু তুলে ধরতে পারছে না। আদালতের স্থান নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, এতে মনে হচ্ছে সরকার বিষয়টাকে গুরুত্বহীন মনে করছে।
দৈনিক ইত্তেফাক, ডিসেম্বর ৬, ২০০৯

BD News 24, Dhaka, English, News, War Crime »

[6 Dec 2009 | Comments Off ]

Dhaka, Dec 06 (bdnews24.com)–Construction and renovation work for preparing the courtroom and other necessary enclosures of a special tribunal to try 1971 war crimes started in the capital on Sunday, officials said.
The work is in progress at house no. 14 on Abdul Gani Road near Bangladesh Secretariat, said deputy law secretary ASSM Jahirul Haque, who oversees the work.
Authorities are also preparing a security-checking passage and an enclosure for journalists on the tribunal premises, he said.
He said they expect the facilities would be ready within a month.
Previous offices including administrative appellate …

Bengali, Dhaka, News, War Crime, প্রথম আলো »

[6 Dec 2009 | Comments Off ]

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৬-১২-২০০৯
যুদ্ধাপরাধ বিচারের আদালত স্থাপনের কাজ আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ গতকাল শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেছেন।
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন দীর্ঘদিন ধরেই এ দাবি জানিয়ে আসছে।

Article, Bengali, Dhaka, History, প্রথম আলো »

[6 Dec 2009 | Comments Off ]

বিজয়ের মাস
সিমিন হোসেন রিমি | তারিখ: ০৬-১২-২০০৯
১৯৭০-এর নির্বাচনে গাইবান্ধার একটি আসন থেকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন ওয়ালিউর রহমান রেজা। মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই এর নানামুখী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।
অক্টোবর মাসে তিনি ৬ নম্বর সেক্টর হেডকোয়ার্টার্সে আসেন। সেখানে তাঁর দায়িত্ব ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজখবর রাখা। তাঁদের আনুষঙ্গিক প্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যবস্থা করা ও ওষুধপত্র দেওয়া।
এরই মধ্যে একদিন তিনি জানতে পারলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এই এলাকায় আসছেন। যেদিন তাঁরা এলেন, সেদিন ওয়ালিউর রহমান তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামার একটি বই পড়ছিলেন। তাজউদ্দীন আহমদ বইটি দেখে জানতে চাইলেন …