Articles Archive for 14 December 2009
Article, Bengali, Dhaka, Genocide, জনকন্ঠ »
আজ ১৪ ডিসেম্বর। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। আমার বাবাও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মাঝে একজন। আমার বাবার নাম শহীদ মুহম্মাদ আব্দুল মুকতাদির। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০ সালে, শহীদ হন ২৬ মার্চ ১৯৭১ স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ নং আবাসিক ভবনে। আমি তখন মায়ের জঠরে সুখ নিদ্রায় মগ্ন। এ সুন্দর পৃথিবীতে আসার দিন গুণছিলাম তিলে তিলে। আমার জন্মাদাতা পিতার স্নেহস্পর্শ পাবার জন্য অধীর আগ্রহে ছিলাম। সেটা আমার ভাগ্যে হল না। পাকবাহিনী আমার অধিকার থেকে আমাকে বঞ্চিত করল। বাবার অপরাধ বাবা …
Article, Bengali, Dhaka, Genocide, History, Intellectuals, War Crime, War Criminal, জনকন্ঠ »
শহীদ অধ্যাপক হবিবুর রহমান
গণিত বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক হবিবুর রহমানকে একাত্তর সালের ১৫ এপ্রিল বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী। তিনি আর ফিরে আসেননি। গণিতের বিশুদ্ধ পরিমণ্ডলে স্বাচ্ছন্দ্য সঞ্চারী অধ্যাপক হবিবুর রহমান তাঁর সমাজের মঙ্গলামঙ্গল নিয়েও নিরন্তর ভাবনায় আলোড়িত উৎকণ্ঠিত ছিলেন। তাঁর নিভর্ীক মনন তাঁকে সমস্ত রকম ঐতিহ্য পোষিত সংস্কার থেকে মুক্ত করে যেমন এম.এন.এ রায় বিশ্লেষিত ‘র্যাডিক্যাল হিউম্যানিজমে’ উপনীত করেছিল, তেমনি তাঁর সদা জাগ্রত বিবেকবোধ তাঁকে তাঁর চতুর্পাশের সমাজের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনীতির বিভিন্ন সঙ্কটে প্রত্যক্ষ ও বলিষ্ঠ ভূমিকা গ্রহণেও প্ররোচিত …
Bengali, Dhaka, News, War Crime, War Criminal, যুগান্তর »
যুগান্তর রিপোর্ট
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকরসহ অন্যান্য হত্যা মামলার বিচার করার শপথের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের বিজয় উৎসব-২০০৯। রোববার বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবার ও বীর শ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ উৎসবের সূচনা করা হয় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর সম্মিলিত কণ্ঠে পরিবেশন করা হয় ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল ঃ’ গানটি। এরপর বেলুন উড়িয়ে উৎসব উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার। গণসঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশনের পর মিজানুর রহমান মিজান পাঠ করেন ঘোষণা …
Article, Bengali, Dhaka, History, প্রথম আলো »
পান্না কায়সার | তারিখ: ১৪-১২-২০০৯
নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে দেশ শত্রুমুক্ত হলে ’৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর সারা দেশে আনন্দের ধারা বয়ে যায়। বন্দুক হাতে, স্টেনগান নিয়ে দলে দলে ফিরছিল মুক্তিযোদ্ধারা। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মুখরিত চারদিক। ঘরের মানুষ বেরিয়ে আসে পথে। মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানানোর জন্য রাস্তায় মানুষের ঢল নামে। বন্দীদশা থেকে বেরিয়ে আসে দেশ।
সেদিনের বিজয়ের আনন্দ উল্লাসে আমারও অংশীদার হওয়ার কথা ছিল। কী নিষ্ঠুর নিয়তি, আমি পারলাম না। ১৬ ডিসেম্বরে রিকশা করে ছোড়দাসহ (আমার দেবর) ঢাকার রাস্তায় বেরিয়েছিলাম ঠিকই। তবে বিজয়ের আনন্দ উত্সবে শরিক হওয়ার জন্য নয়, একজন জীবন্ত মানুষকে খুঁজতে। …
Article, Bengali, Dhaka, Genocide, History, Intellectuals, War Crime, War Criminal, জনকন্ঠ »
ফুটন্ত রং-বেরঙের ডালিয়া ফুল দেখলে মনে হয় বাবা যেন হাসছে। এই ফুটন্ত ফুলের শোভার মধ্যে যেন বাবাকে বিকশিত দেখতে পাই। এই সুন্দর ফুলটি উপহার দেবার জন্যই একদিন বাবা তাঁর জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। বাংলার মাটিতে তিনি চিরদিন এই ফুলের সঙ্গে মিশে আছেন, যার প্রাণবায়ুকে কোন হন্তারকের বুলেট সংহার করতে পারবে না। যতদিন ফুল ফুটবে, তিনিও বেঁচে থাকবেন। এই কথাগুলো মেঘনাগুহ ঠাকুরদার নিজস্ব অনুভূতি। ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে যিনি জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট পিতা অধ্যাপক ড. জোত্যির্ময় ঠাকুরদাকে হারিয়েছেন ।
বাবার বাগান করার বড় শখ ছিল। রঙ-বেরঙের ডালিয়াসহ …
Bengali, Blog, History, War Crime, War Criminal »
১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর পাকবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদররা অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে দেশের শ্রেষ্ঠসন্তান বুদ্ধিজীবীদের । আর সেই নারকীয় হত্যার শিকারদের স্মরনে আমরা প্রতিবছর পালন করি দিবসটি । অবশ্য,২৫শে মার্চ ১৯৭১ কলো রাতেই শুরু হয় বুদ্ধিজীবীদের নিধন [১]এবং তা’ চলে যুদ্ধের পুরো নয় মাস জুড়ে । এমনকি ৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে বিজয় লাভের পরেও বুদ্ধিজীবীদের নিধন অব্যাহত থাকে।দ্রষ্টান্তস্বরূপ ডঃ মনসুর আলী (ডিসে ২১,১৯৭১) চলচিচত্রকার জহির রায়হান (নিখোজ হন ৩০ শে জানু ১৯৭২ )এবং সাংবাদিক গোলাম রহমান (হত্যা জানু ১১,১৯৭২) ।
কিন্তু যেহেতু ১৪ই ডিসেম্বরে সবচেয়ে বেশী বুদ্ধিজীবীদের নিধন …
Bengali, Blog, Freedom Fighter, History, সামহোয়ারইন »
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১০
বর্ষা কাল শুরু হয়ে গিয়েছিল। রাত নেই দিন নেই অঝরে বৃষ্টি ঝরে চলেছে। গ্রামের ছোট ছোট কাঁচা রাস্তাগুলো কাদায় থ্যাকথেকে হয়ে গেল। রাতে টিনের চালে ঝম ঝম করে বৃষ্টি পড়েই চলেছে। আমরা এক ঘরে এক বিছানায় সবাই গাদাগাদি হয়ে কখনো বসে বসে দেশের সেই ছোটবেলার স্মৃতি হাতড়ে বেড়াতাম। রাতে বৃষ্টি শুরু হলে এখানে ওখানে বাটি পেতে দেওয়া লাগত। টপ টপ করে সেই বাটিতে পানি পড়ে চারিদিকে ছিটকে যেত। অন্যান্য বছরের চেয়ে সেবার অনেক বেশি বৃষ্টি হয়েছিল। পথ-ঘাট থৈ থৈ হয়ে গিয়েছিল। খুব ছোট বেলা যখন …
Bengali, Dhaka, Op-Ed, War Crime, জনকন্ঠ »
সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০০৯, ৩০ অগ্রহায়ন ১৪১৬
আজ ১৪ ডিসেম্বর। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় সহযোগীরা চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে দেশের মেধাবী বুদ্ধিজীবী এবং গুণী ব্যক্তিকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছিল। ঘাতক রাজাকাররা চেয়েছিল জাতিকে সম্পূর্ণভাবে মেধাশূন্য করতে। বাঙালী জাতির এ ক্ষতি কোনদিনই পূরণ হবার নয়। এদিন জাতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবে অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, ডা. ফজলে বাবি্ব. ডা. আলীম চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সারসহ অগণিত শহীদ বু্দ্ধিজীবীদের।
এই হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে পাকবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দালালরা চেয়েছিল বাঙালী জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যাতে এ দেশে যথাযথভাবে বিকশিত না …
Bengali, Dhaka, Editorial, War Crime »
১৯৭১ সালের এই দিনে, স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের ঠিক প্রাক্কালে, বেছে বেছে বাংলাদেশের কয়েকজন শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, চিকিৎসক, গবেষক, ইতিহাসবিদ, বিজ্ঞানী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিক। এই বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যেককে নিজেদের বাসভবন থেকে রাতের অন্ধকারে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ঘাতকদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করা, যাতে স্বাধীনতা অর্জন করার পর নতুন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে না পারে। যাতে বুদ্ধিবৃত্তির দিক থেকে জাতি পদে পদে বাধাগ্রস্ত হয় এবং পিছিয়ে পড়ে।
বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকান্ডের কিছু বিশেষ বিষয় লক্ষ্য করা দরকার। যে কোনো পর্যালোচনায় স্পষ্ট …
Article, Bengali, Dhaka, War Crime, প্রথম আলো »
ফরিদা বানু | তারিখ: ১৪-১২-২০০৯, Prothom Alo
The author filed a case in Ramna Thana in 24 September, 1997 against Ashrafuzzaman and Chowdhury Mueenuddin
‘Justice delayed is Justice denied’, ‘বিচারে বিলম্ব মানে বিচারে অস্বীকৃতি’ কথাটি চিরন্তন সত্য। যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে এ কথাটি আরও গভীর ও ব্যাপক অর্থে সত্য।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় উত্সবের আনন্দ-উল্লাসের সঙ্গে মিশে ছিল লাখ লাখ স্বজন হারানো মানুষের বুকফাটা কান্না। এ কথা আজ কয়জন মনে রেখেছে? সময় মানুষকে সব ভুলিয়ে দেয়। ৩৮ বছর পর আমরা ভুলে গেছি কারা ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী, নিষ্ঠুর হূদয়হীন খুনের পরিকল্পনাকারী আর কারাই …
Bengali, Dhaka, Freedom Fighter, News, War Criminal, প্রথম আলো »
নুসরাত রাব্বি | তারিখ: ১৪-১২-২০০৯, Prothom Alo
সকল হত্যাকাণ্ডই ক্ষমাহীন। দেশপ্রেম থাকার জন্য কাউকে হত্যা করা আরো ক্ষমাহীন, অনৈতিক, অবৈধ ও বর্বরোচিত এক যুদ্ধাপরাধের ঘটনা। বুদ্ধিজীবী ও চিকিত্সক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি’র নিহত হওয়ার ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের বেদনায়দায়ক স্মৃতিগুলোরই একটি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই হূদরোগ বিশেষজ্ঞ ও গবেষককে পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে ১৯৭১ সালে হত্যা করা হয়। ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও স্থানীয় আল-বদররা রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিজ বাড়ি থেকে রাব্বিকে তুলে নিতে আসে। স্বামীকে নিয়ে যেতে দেখে স্ত্রী জাহান আরার অস্তিত্বের একটি অংশও যেন মরে যায়। ফজলে রাব্বির স্ত্রী জাহান …
Bengali, Dhaka, Memorial, News, প্রথম আলো »
মো. সুমন জাহিদ | তারিখ: ১৪-১২-২০০৯
যেভাবে, যতখানি আম্মাকে দেখেছি, তা নিয়েই কেবল আমি লিখতে পারি। ছোট ছিলাম, ১৯৬৮ সালের পরের ঘটনাগুলো আমার মনে আছে। ফেনী থেকে চলে আসার ঘটনা আমার মনে নেই। আম্মাসহ স্যার সলিমুল্লাহ এতিমখানার শিক্ষক কলোনিতে ছিলাম, সে কথা বেশ মনে আছে। আম্মা আমাকে খুব আদর করতেন। শিশুদের পড়ানোর সময় আমাকে কাছে রাখতেন। একবার ঈদ উপলক্ষে প্রজেক্টরে ডকুমেন্টারি ছবি দেখানোর সময় সেখানে বসা অন্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে আম্মা চাকরি ছেড়ে দেন, কাজ নেন বেবি হোমে। সেখানেও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় সে কাজ থেকে অব্যাহতি নেন। এরপর বেগম …
