জামায়াত-শিবিরের ৩৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নূরুল হুদা, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি আশিকুর রহমানসহ জামায়াত-শিবিরের ৩৬ জনের বিরুদ্ধে গত সোমবার গভীর রাতে সাতক্ষীরায় মামলা হয়েছে। সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম এ মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে ২৫ জন কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগ এনেছে পুলিশ।
আটক আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক আ. সবুর গতকাল মঙ্গলবার সাতক্ষীরার মুখ্য বিচার বিভাগীয় হাকিমে আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। বিচারক এ বিষয়ে আজ বুধবার শুনানির দিন ঠিক করেছেন।
বাদী মামলার এজাহারে বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে সাতক্ষীরা শহরের মুন্সীপাড়া এলাকায় জামায়াত-শিবির পরিচালিত কথিত জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকা অবস্থায় বিভিন্ন জিহাদি বইসহ ২৫ জনকে আটক করা হয়। পুলিশি অভিযানের আগেই জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নূরুল হুদা, সদর উপজেলার বৈকারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা শহিদ হাসান, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আশিকুর রহমান, সাতক্ষীরা শহরের সবুজবাগ এলাকার আশরাফুল ইসলামসহ অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন আসামি পালিয়ে যায়।
এ মামলায় সাতক্ষীরা শহরের ঘোষপাড়ার জাহাঙ্গীর, মুন্সীপাড়ার হাফিজুর, কলারোয়া উপজেলার ছলিমপুরের গালিব, কালীগঞ্জ উপজেলার জাফরপুর গ্রামের আবুল খায়ের, শ্যামনগর উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মাসুম বিল্লাহসহ ২৫ জন আটক আছেন। সদর থানার পুলিশ কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, আটক ২৫ জনকে সোমবার ৫৪ ধারায় জেলহাজতে পাঠানো হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াতের কয়েকজন নেতা জানান, ঘটনার রাতে পুলিশ বাড়ি বাড়ি অভিযান চালিয়ে জামায়াত-শিবির কর্মীদের আটক করে। জামায়াত সমর্থক ২০ আইনজীবী গতকাল বিবৃতি দিয়ে ‘গণগ্রেফতারের’ নিন্দা জানিয়েছেন।
Keywords/Tags: রাষ্ট্রদ্রোহ








