Home » Arrest, Bangladesh, Bengali, Conspiracy, Dhaka, Extremism, Extremist funding, Report, ইত্তেফাক

হিযবুতকে অর্থ দেয় দুই ব্রিটিশ এনজিও : টিএফআই সেলে মুখোমুখি মহিউদ্দিন ও মোরশেদুল

24 April 2010 Author: ইত্তেফাক রিপোর্ট [Ittefaq Report] Original Source: Link

বাংলাদেশে কর্মরত দুইটি ব্রিটিশ এনজিও হিযবুত তাহ্‌রীরকে অর্থ সহায়তা দিয়েছে। দিয়েছে বৈঠক করার অফিসও। বাংলাদেশে হিযবুত তাহ্‌রীর গঠনের আগে ২০০২ সালে একটি এনজিও’র উত্তরার অফিসে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এনজিওটির পলিসি এনালিস্ট শেখ তৌফিক একপর্যায়ে চাকরি ছেড়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন হিযবুত তাহ্‌রীরের সঙ্গে। তিনি বর্তমানে হিযবুত তাহ্‌রীর পরিচালিত নীতি গবেষণা কেন্দ্রের ট্রাস্টি এবং সংগঠনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা। বিদেশ থেকে আসা অর্থের ব্যাপারে নেতাদের সবধরনের সহযোগিতা করেছেন ওই সাবেক এনজিও কর্মকর্তা।

টাস্ক ফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে হিযবুত তাহ্‌রীরের সমন্বয়ক মহিউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম সমন্বয়ক মোরশেদুল হক এসব তথ্য জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার ছিল মহিউদ্দিনের তিনদিনের রিমান্ডের শেষ দিন। আজ তাকে আদালতে পাঠিয়ে পুনরায় রিমান্ডে নেয়া হতে পারে। এছাড়া মোরশেদুল হকের তিনদিনের রিমান্ডের গতকাল ছিল প্রথম দিন। তাদের দু’জনকে মুখোমুখি করে গতকালও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, মহিউদ্দিন আহমেদ তাদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশে হিযবুত তাহ্‌রীরের কাজ শুরুর ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিড়্গক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম মাওলা তাকে উৎসাহিত করেন। অধ্যাপক গোলাম মাওলা তাকে একদিন উত্তরার একটি অফিসে নিয়ে যান। সেখানে পরিচয় করিয়ে দেন শেখ তৌফিকের সঙ্গে। সংগঠনের কাজে ব্যবহার করার জন্য ওই এনজিও’র একটি কড়্গ তাদের দেয়া হয়। তৌফিককে সঙ্গে নিয়ে এনজিওটির ওই কক্ষে একাধিক বৈঠক করেছেন তারা। ওইসব বৈঠকে তিনি ছাড়াও অধ্যাপক গোলাম মাওলা, শেখ তৌফিক, মোরশেদুল হক, প্রিন্সিপাল মাওলানা মামুনুর রশীদ, অধ্যাপক মুস্তাফা মিনহাজ, সাখাওয়াত হোসেন ও মামুনুর রশীদ আনসারী অংশ নিতেন। সংগঠন শুরুর আগে তারা কিছু মেধাবী ছাত্র সংগ্রহের জন্য মাঠে নামেন। অব্যাহত যোগাযোগের একপর্যায়ে মেধাবী ১০/১৫ জন শিক্ষক ও ছাত্রকে তারা পেয়ে যান। এদের নিয়েই হিযবুত তাহ্‌রীর গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন তারা।

মহিউদ্দিন আহমেদ আরও জানান, বিদেশ থেকে আসা টাকা বা বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগের পুরো কাজটাই করতেন অধ্যাপক গোলাম মাওলা ও শেখ তৌফিক। এসবের মধ্যে তিনি কখনও ঢোকার চেষ্টা করেননি। শেখ তৌফিক তাকে বেশ কিছু টাকা দিয়েছেন। ওই টাকা এনজিও দিয়েছে না বিদেশ থেকে এসেছে তা জানেন না বলে দাবি করেন মহিউদ্দিন। এছাড়া হিযবুত তাহ্‌রীরের বেশ কয়েকজন মেধাবী কর্মীকে পড়ালেখার জন্য ব্রিটেন পাঠানো হয়েছে বলেও জানান মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, বার এট ল’ (ব্যারিস্টারি) পড়তে গেছেন তারা। এরা ফিরে এলে হিযবুত তাহ্‌রীরের আইন শাখা আরো সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Keywords/Tags: , , , , , , , ,

Added by: abishchruto

Comments are closed.