ত্রিপুরায় মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ ও পার্ক করবে ভারত সরকার
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ ভারতীয় সেনাবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ত্রিপুরায় একটি স্মৃতিস্তম্ভ ও একটি পার্ক নির্মাণ করবে ভারত সরকার। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ত্রিপুরা সফরকালে এই স্মৃতিস্তম্ভ ও পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে কথা রয়েছে।
ত্রিপুরার বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী জিতেন্দ্র চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার ছত্তখোলায় এই স্মৃতিস্তম্ভ ও ‘মুক্তিযোদ্ধা পার্ক’ নির্মাণ করা হবে। ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে স্মৃতিস্তম্ভ ও পার্ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই কোটি ৩০ লাখ রুপি। স্মৃতিস্তম্ভ ও পার্কের পাশাপাশি ত্রিপুরায় একটি জাদুঘরও নির্মাণ করা হবে। এতে মুক্তিবাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ, যুদ্ধ সরঞ্জাম, আলোকচিত্র ও যুদ্ধবিষয়ক সাহিত্য সংরক্ষণ করা হবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ত্রিপুরা সরকার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। যুদ্ধের সময় ত্রিপুরায় মুক্তিবাহিনীর একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। ত্রিপুরায় এখনো মুক্তিবাহিনীর ব্যবহৃত বাংকার, পরিখা ও তাঁদের কবরস্থানের চিহ্ন রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির এটাই হবে প্রথম ত্রিপুরা সফর। এই সফরকালে বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও ব্যবসাসংক্রান্ত সীমান্তবর্তী অবকাঠামোর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হবে। দীপু মনির সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল ত্রিপুরা সফরে আসার কথা রয়েছে। দীপু মনির এই সফরকালে ভারত ও বাংলাদেশকে বিভক্তকারী ফেনী নদীর ওপর একটি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে।
Keywords/Tags: ত্রিপুরা, ভারত, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা









Leave your response!