প্রথম সারির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত করতে চাই: আইন প্রতিমন্ত্রী
আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা প্রথম সারির যুদ্ধাপরাধীর বিচার দ্রুত করতে চাই। খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের বিচার সমাপ্ত করা হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যদেরও আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। কারণ এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। এক দিনেই সবাইকে খুঁজে বের করে আনা সম্ভব নয়। তবে এখন যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারা সবাই চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী।’
আজ বুধবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা আয়োজিত দারিদ্র্য-বিমোচন প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে হাত দিয়ে আমরা এখন দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে আছি, যা আমাদের জন্য বাঁচামরার প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। কাজেই এ যুদ্ধে জয়লাভ করা ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো বিকল্প পথ নাই।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সাত বছরের পাঁচ বছর বিএনপি, আর দুই বছর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অপশাসন দেশটাকে অনেক পেছনে ঠেলে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ আমরা সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছি। এখন দেশে কেবলমাত্র বিদ্যুত্সমস্যা ছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই। আশা করি, আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা সে সমস্যাও সমাধান করতে পারব।’ পরে প্রতিমন্ত্রী কেরানীগঞ্জের ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ৩৫ জন দরিদ্র নারীর মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান রওশন ইয়াজদানী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিলারা ইসলাম, ঢাকা জেলা যুবলীগের সভাপতি শফিউল আজম খান, আওয়ামী লীগের নেতা ইউসুফ আলী চৌধুরী প্রমুখ। বাসস
Keywords/Tags: কামরুল ইসলাম, যুদ্ধাপরাধীর বিচার









Leave your response!