যুদ্ধাপরাধের বিচার : শিগগিরই প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ : অর্থমন্ত্রী
যুদ্ধাপরাধ তদন্ত টিম ও প্রসিকিউশন টিমের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করতে শিগগির একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত টিম ও প্রসিকিউশন টিমের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। তিনি আরও জানান, শিগগিরই প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত শেষ করার জন্য অর্থ কোন বাধা হবে না। এজন্য ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও অর্থ দেয়া হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বলেন, বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও এর আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট। অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বৈঠকে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, পরিকল্পনামন্ত্রী একে খন্দকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ওআইসি মহাসচিব সরকারের কাছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধাপরাধ বিচার স্বচ্ছ করার পরামর্শ দেন। সম্প্রতি বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ওমর পালনে সৌদি আরব যান। সেখানে তিনি ওআইসি মহাসচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী বিচারের বিষয়টি আলোচনায় স্থান পায়। ওআইসি মহাসচিবের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরিভিত্তিতে বুধবার যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক বৈঠক আহ্বান করা হয় বলে জানা গেছে। অপর এক সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধাপরাধ বিচার দ্রুত ও আন্তর্জাতিক মানে করতে বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। এর মধ্যে ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম বিশেষভাবে উলে খযোগ্য।
Keywords/Tags: A M A Muhith, chief investigator, international crime tribunal, Investigation, investigation team, prosecution, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, এ এম এ মুহিত, তদন্ত









Leave your response!