Home » Arrest, BD News 24, Bangladesh, Bangladesh 1971 Trials, Bengali, Crimes Against Humanity, Dhaka, Fundamentalism, Genocide, History, International Crimes, International Crimes Tribunal (ICT), International Crimes trial, Jamaat-Shibir, Judiciary, Liberation War of Bangladesh, News, Staff Report, War Crime, War Crimes Trial, War Criminal

গোলাম আযমের বিষয়ে আদেশ ২৬ ডিসেম্বর

13 December 2011 Author: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Original Source: Link

গোলাম আযমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ গ্রহণ এবং তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত আগামী ২৬ ডিসেম্বর জানাবে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মুক্তিযুদ্ধকালীন পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ৫২টি ঘটনায় শতাধিক অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ সোমবারই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন বিভাগ।

একইসঙ্গে মগবাজারের একটি ফ্ল্যাটে অবস্থানকারী জামায়াতের সাবেক আমিরকে গ্রেপ্তারের আবেদনও করা হয়।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত এই ট্রাইব্যুনালের উপনিবন্ধক মেসবাহউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, এ সব আবেদনের বিষয়ে ২৬ ডিসেম্বর আদেশ দেবে ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপনের পর তা নিবন্ধকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

বিজয়ের ৪০ বছরে যখন দেশবাসী উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখনই গোলাম আযমকে গ্রেপ্তারের আবেদন হলো। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশ ছাড়েন।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে তাদের জন্য অনুকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হলে ১৯৭৮ সালে দেশে ফেরেন গোলাম আযম। তবে ১৯৮১ সালে ফেব্র“য়ারি মাসে একবার বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুতাপেটার সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি। পরে গোলাম আযম জামায়াতের আমিরের দায়িত্ব নেন।

গোলাম আযমের বিরুদ্ধে দেওয়া প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত বলেন, “১৯৭০ এর নির্বাচনের আগে থেকেই পাকিস্তানের সামরিক জান্তার সঙ্গে গোলাম আযমের যোগাযোগ ছিলো। নির্বাচনের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত ছিলো। ওই অবস্থায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হয়। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা এ অভিযানের মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হামলা চালাতে থাকে।”

অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর তিন দিনের মাথায় খাজা খায়রুদ্দিনকে আহ্বায়ক করে ১৪০ সদস্যের শান্তি কমিটি হয়। এর দৈনন্দিন কাজ তদারক করতে ৬ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। এই কমিটিতে ২ নম্বরে গোলাম আযমের নাম ছিলো বলে উল্লেখ করা হয় তদন্ত প্রতিবেদনে।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, “তার (গোলাম আযম) নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর যোগসাজশে এবং চক্রান্তে নানা জায়গায় শান্তি কমিটি, রাজাকার, আল বদর, আল শামস, পাইওনিয়ার ফোর্স, মুজাহিদ বাহিনী গঠন করা হয়। তিনি শুধু গঠন করেন নাই, প্রশিক্ষণ শিবির ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করে সালাম নিয়েছেন।”

এসব সংগঠনকে অস্ত্র সরবরাহ করা এবং এ বিষয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কাছে সুপারিশ করার দায়িত্ব গোলাম আযমই পালন করতেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, তাদের তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ এবং জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার মাধ্যমে এসব বাহিনীতে লোক নিয়োগ করা হতো।

রানা বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী বাহিনীর মাধ্যমে যা কিছু পরিচালিত হয়েছে, তার সব কিছুই হয়েছে গোলাম আযমের মূল নেতৃত্বে। সব ঘটনার জন্য বস্তুত তিনিই দায়ী।”

৪০ বছর আগের সেই ঘটনা নিয়ে ৩৬০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে তদন্ত সংস্থা ৪০ জনকে সাক্ষী করেছে। ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে চারশোরও বেশি নথিপত্র।

Keywords/Tags: , ,

Added by: sanjeeb

Leave your response!

Add your comment below, or trackback from your own site. You can also subscribe to these comments via RSS.

Be nice. Keep it clean. Stay on topic. No spam.

You can use these tags:
<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

This is a Gravatar-enabled weblog. To get your own globally-recognized-avatar, please register at Gravatar.