TwitterFacebook

মাওলানা সাঈদীর মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জেরা অব্যাহত জীবিত মোকেম ঠাকুরকে মৃত বলে দেখানো হয়েছে

13/07/2012

আদালতে প্রদর্শিত সূচিতে জীবিত মোকেম ঠাকুরকে মৃত বলে দেখিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন। পিরোজপুর জেলার ওমেদপুর গ্রামের হিন্দুপাড়ায় ২৫টি বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করা হলেও তদন্ত কর্মকর্তা ১৯ জনের নাম বলতে পারেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার হিসেবে যাদের নাম এবং জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছেন তিনি তাদের কেউই নিজের বাড়ি লুট বা অগ্নিসংযোগের কথা বলননি। এমনকি কোন কোন সাক্ষী তার জবানবন্দিতে ওমেদপুর গ্রামের নাম পর্যন্তও উল্লেখ করেননি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর বিশ্ব বরেণ্য মোফাসসিরে কুরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে গতকাল সকাল-বিকাল মোট চার ঘণ্টা জেরা করা হলে বেরিয়ে আসে এই জালিয়াতির তথ্য। গুরুতর অসুস্থ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক (বারডেম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় মাওলানা সাঈদীর অনুপসইিততেই সারা দিন এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী রোববার পুনরায় জেরা করা হবে তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে। গতকাল বৃহস্পতিবার জেরা করেন এডভোকেট মিজানুল ইসলাম। তাকে সহায়তা করেন এডভোকেট মনজুর আহমেদ আনসারী, আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।

গতকালের জেরার উল্লেখযোগ্য অংশ নিম্নরূপ :

প্রশ্ন : তদন্তকালে স্কুল ব্যবহারের জন্য কোন অনুমতি নিয়েছিলেন রাজলক্ষ্মী স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে?

উত্তর : লিখিত কোন অনুমতি নেইনি।

প্রশ্ন : ঐ স্কুলে ১৯৭১ সালে ১০ম শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রী কারা ছিল- এটা খবর নিয়েছেন? তাদের তালিকা সংগ্রহ করেছেন?

উত্তর : না।

প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে রাজলক্ষ্মী হাই স্কুলের শিক্ষকদের সাক্ষী করার জন্য তাদের নাম সংগ্রহ করেছেন কি না?

উত্তর : সাক্ষী করি নাই।

প্রশ্ন : ক্যাম্প কমান্ডার কোন রুমে থাকতেন? এটা খবর নিয়েছেন?

উত্তর : রুম বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : সি চিহ্নিত বাড়ির মালিক বিধানের বয়স কত? তাকে সাক্ষী করেছেন?

উত্তর : বয়স ৪৫ বছর। জবানবন্দি গ্রহণ করি নাই।

প্রশ্ন : হরেন ঠাকুরের ছেলে মেয়ে ক’টা? তার বড় ছেলের নাম কি?

উত্তর : একমাত্র ছেলে বিধান ছাড়া অন্য কোন সন্তানের কথা আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : হরেন ঠাকুরের স্ত্রীর নাম কি?

উত্তর : উনি আমার সামনে আসেননি।

প্রশ্ন : তাকে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দিয়েছিলেন?

উত্তর : নোটিশ দেইনি। উপস্থিত হয়ে ডাকতে চেয়েছিলাম। উনার বয়স ৭০ বছর।

প্রশ্ন : কাকে দিয়ে ডাকিয়েছিলেন?

উত্তর : নোটে নেই।

প্রশ্ন : ওমেদপুর হিন্দুপাড়ায় ১৯৭১ সালে বসতি সংখ্যা অনুমান কত ছিল?

উত্তর : ২৫টি হিন্দু বাড়ি লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ হয়। তবে মোট বসতি কত ছিল সেটা আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : ২৫টি বাড়ির মালিকের নাম বলুন?

উত্তর : ১. অনিল মন্ডল, পিতা- নুরুল ওরফে নকুল মন্ডল, ২. শেখর ও মুনিম, পিতা- মোকেম ঠাকুর ওরফে মুকুন্দ, ৩. বিধান, পিতা- হরেন ঠাকুর, ৪. মৃত বিশা বালী, পিতা- মৃত ললিত বালী, ৫. বিমল বালা, পিতা- মৃত সতিশ বালা, ৬. জীবন, পিতা- মৃত জহর তালুকদার, ৭. হরে কৃষ্ণ তালুকদার, পিতা- সুধাংশ তালুকদার, ৮. মানিক, পিতা- মৃত চিত্তরঞ্জন তালুকদার, ৯. উজ্জল, পিতা-রবি তালুকদার, ১০. স্বপন, পিতা- মৃত গৌরাঙ্গ তালুকদার, ১১. মৃত অতুল তালুকদার, ১২. সমির তালুকতার, পিতা- মৃত সুরেন তালুকদার, ১৩. সুনিল তালুকদার, ১৪. বীরেন্দ্র সিকদার, ১৫. নরেন্দ্র নাথ সিকদার, ১৬. অশোক ব্যাপারী, ১৭. নিরঞ্জন মাস্টার, পিতা-মৃত নিরোদ তালুকদার, ১৮. রঘুনাথ সাহা, ১৯. ধীরেন্দ্র নাথ সাহা এই১৯টি বাড়িই আমার নোটে আছে। বাকি ৬টি বাড়ির মালিকের নাম বলতে পারবো।

প্রশ্ন : ভিডিও ক্লিপে একুশে টিভি যে রঘুনাথ সাহাকে দেখিয়েছে এটা কি সেই রঘুনাথ সাহা?

উত্তর : জি, একই ব্যক্তি।

প্রশ্ন : নিরঞ্জন মাস্টার কোথায় শিক্ষকতা করেন?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : ৮নং ক্রমিকে মানিকের বয়স কত?

উত্তর : ৪৫ বছর।

প্রশ্ন : তার মা জীবিত আছে?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : তারা কত ভাই বোন? তার মধ্যে মানিকের অবস্থান কত?

উত্তর : তার এক বোন লিপি (৩৫) ছাড়া কারো বিষয় আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : ৯নং ক্রমিকের উজ্জলের বয়স কত?

উত্তর : ৩৫ বছর। তার পিতা রবি তালুকদার, বয়স ৭০ বছর, তিনি জীবিত আছেন।

প্রশ্ন : ১০নং ক্রমিকের স্বপনের বয়স কত, পিতার নাম কি?

উত্তর : বয়স ৪০ বছর।

প্রশ্ন : স্বপনের মা, ঠাকুরদা জীবিত আছে কি না?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : ১১ নং ক্রমিকের মৃত অতুল তালুকদারের স্ত্রী জীবিত আছে কি না?

উত্তর : আমার নোটে নেই। কেউ কোন তথ্য দিতে পারেননি।

প্রশ্ন : অতুল তালুকদারের বাড়িতে বর্তমানে যারা থাকে তাদের কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন?

উত্তর : জি, না করি নাই।

প্রশ্ন : ৮ থেকে ১৯ নম্বর ক্রমিকের বাড়ির কোন সদস্যকেই আপনি এই মামলার সাক্ষী করেননি?

উত্তর : জি, না করি নাই।

প্রশ্ন : ৮ থেকে ১৯নং ক্রমিকের সকলের বাড়িই পোড়ানো হয়েছিল না কি কোন কোন বাড়ি বাদ ছিল?

উত্তর : সকল বাড়িই লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

প্রশ্ন : এই ২৫টি বাড়ির পোড়ার কোন আলামত সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলেন?

উত্তর : করি নাই।

প্রশ্ন : যিনি ১৯টি বাড়ি দেখিয়ে দেন তিনি বাকি ৬টি বাড়ি দেখাতে পারেননি?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে ঐ এলাকার মেম্বার কে ছিলেন?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : অনিল মন্ডল ও হরে কৃষ্ণর মধ্যবর্তী বাড়ির দূরত্ব কত?

উত্তর : বলতে পারবো না।

প্রশ্ন : ৮ থেকে ১৯ নং ক্রমিকে উল্লেখিত বাড়ির অবস্থান আপনার স্কেচ ম্যাপে নেই?

উত্তর : জি, না, দেখানো হয়নি।

প্রশ্ন : বিমল বালার পেশা কি?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : তার সাথে আপনার দেখা হয়েছিল?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : তার বাড়িতে গিয়েছিলেন দেখা করার জন্য?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : যেহেতু তার বাড়ি যাননি সেহেতু বিমল বালার বয়স কত? তার মা আছে কি না এ সম্পর্কে কোন তথ্য নেই?

উত্তর : তার মা বেচে আছে।

প্রশ্ন : বিমল বালা বা তার মাকে সাক্ষী দেয়ার জন্য আপনার সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য কোন নোটিশ দিয়েছিলেন?

উত্তর : না।

প্রশ্ন : জীবন বালাকে (পিতা মৃত জহর তালুকদার) আপনি সাক্ষী করেননি?

উত্তর : জি, না।

প্রশ্ন : তার সাথে আপনার দেখা হয়েছিল?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : জীবন বালার মা বেচে আছেন?

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : জীবন এবং তার মাকে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য কোন নোটিশ দিয়েছিলেন?

উত্তর : না, নোটিশ দেইনি। তবে আমার সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য সুখাবালীর মাধ্যমে খবর দিয়েছিলাম।

প্রশ্ন : ওমেদপুর হিন্দুপাড়ার কোন ব্যক্তিকেই আপনি সাক্ষ্য প্রদান করার জন্য তদন্ত সংস্থার সামনে উপস্থিত হওয়ার নোটিশ প্রদান করেননি?

উত্তর : জি নোটিশ দেইনি, তবে আমি জানিয়েছিলাম।

প্রশ্ন : কার মাধ্যমে আহবান জানান?

উত্তর : ১৯৭১ সালের ঘটনা সম্পর্কে তথ্য দেয়ার জন্য সুখরঞ্জন বালী এবং মাহবুবুল আলম হাওলাদারের মাধ্যমে ঐ গ্রামের সকলকে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য বলা হয়েছিল।

প্রশ্ন : ঐ গ্রামে সর্বপ্রথম কবে যান আপনি?

উত্তর : ২০/৮/২০১০ তারিখে।

প্রশ্ন : ১০ টা ৩০ থেকে ১২ টা ৩০ পর্যন্ত আপনি ওমেদপুর গ্রামে ঘুরলেন তখন ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিকে দেখেননি?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : ওমেদপুরে আপনি কত জনের জবানবন্দি নিয়েছেন ঐ দিন?

উত্তর : প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, কারো জবানবন্দি রেকর্ড করি নাই। পাশে টেংরাখালি গ্রামে গিয়ে জবানবন্দি রেকর্ড করেছি।

প্রশ্ন : কত জনের জবানবন্দি নিয়েছিলেন?

উত্তর : ২ জনের। সুখরঞ্জন বালী ও মুকুন্দ চক্রবর্তী ওরফে মোকেম ঠাকুর।

প্রশ্ন : সাক্ষী অনিল চন্দ্র মন্ডলের বাড়ি কোথায়?

উত্তর : ওমেদপুর গ্রামে।

প্রশ্ন : তার জবানবন্দি কত তারিখে রেকর্ড করেন?

উত্তর : ১৯/৮/২০১০ তারিখে রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ে।

প্রশ্ন : অনিল চন্দ্র মন্ডলের জবানবন্দি আপনি ২৫৯ হিসেবে প্রদর্শনী করেছেন এবং জবানবন্দি রেকর্ডের তারিখ ২০/৮/২০১০ লেখা আছে।

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : টেংরাখালী গ্রামে আপনি ১০টার সময় উপস্থিত হয়ে কতক্ষণ ছিলেন?

উত্তর : ২ ঘণ্টা ছিলাম।

প্রশ্ন : পারেরহাট বন্দরে কতক্ষণ ছিলেন?

উত্তর : ১৭টা ১৫ থেকে ২১ টা পর্যন্ত।

প্রশ্ন : সেখানে কোথায় অবস্থান করেছিলেন?

উত্তর : পারেরহাট পুলিশ ক্যাম্পে কিছুক্ষণ বসি, তারপর পারেরহাট বাজারে বিভিন্ন লোকের সাথে কথা বলেছি।

প্রশ্ন : টেংরাখালী গ্রামে কত তারিখে যান, কতক্ষণ ছিলেন?

উত্তর : ১৯/৮/২০১০ তারিখ যাই, ১৩টা ৪৫ থেকে ১৫টা পর্যন্ত সেখানে ছিলাম।

প্রশ্ন : তার পর ঐ দিন কোথায় যান?

উত্তর : তারপর রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ে আসি, ১৫টা ২০ থেকে ২১ টা পর্যন্ত অবস্থান করি।

প্রশ্ন : প্রদর্শনী ৩৯ সূচির বি-তে তারিখ ২০/৮/২০১০ উল্লেখ আছে। সেখানে শেখরের পিতা মোকেম ঠাকুরকে মৃত বলে লেখা আছে?

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : এইচ চিহ্নিত হরে কৃষ্ণ’র সাথে আপনার দেখা হয়েছিল?

উত্তর : আমার নোটে নেই।

প্রশ্ন : প্রদর্শনী ২৫৯, অনিল চন্দ্র মন্ডল যে ২৫টি বাড়ি পুড়ে যায় তার মধ্যে একজন?

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : অনিল মন্ডলের জবানবন্দিতে তার নিজের বাড়ি লুট হয়েছে বা অগ্নিসংযোগ হয়েছিল এমন কথা কি উল্লেখ আছে?

উত্তর : উল্লেখ নেই। তবে হিন্দুদের বাড়িঘর লুট করে পারেরহাটে এনে বিক্রি করে। এই কথা আছে।

প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে পিরোজপুর এবং জিয়ানগর উপজেলায় হিন্দুপাড়া কি শুধু ওমেদপুরেই ছিল না আর কোথায়ও ছিল?

উত্তর : ওমেদপুর ছাড়াও পারেরহাটে একটা হিন্দুপাড়া ছিল এবং আছে। অন্য কোথায়ও আছে কি না জানি না।

প্রশ্ন : প্রদর্শনী ২৫৯-এ হিন্দুদের একটি বাড়ি ভাঙ্গিয়া সাঈদী শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যায়। সেই বাড়িটির অবস্থান কি পারেরহাটে?

উত্তর : জি। একটি নির্দিষ্ট বাড়ির কথা উল্লেখ আছে।

প্রশ্ন : অনিল চন্দ্র মন্ডলের জবানবন্দিতে ওমেদপুর শব্দটিই নেই।

উত্তর : জবানবন্দিতে ওমেদপুর শব্দ নেই। তবে উনার ঠিকানা হিসেবে ওমেদপুর লেখা আছে। সেটা জবানবন্দির অন্তর্ভূক্ত নয়।

প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে তার নিজের বাড়ি পুড়েছে বা লুট হয়েছে বা কোন প্রকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মর্মে কোন কথা তার জবানবন্দিতে নেই?

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : ওমেদপুর হিন্দুপাড়ায় যে ১৯ জনের নাম উল্রেখ করেছেন তার কারো জবানবন্দিতেই কারো বাড়ি লুট হওয়া বা পুড়িয়ে দেয়ার কথা উল্লেখ নেই?

উত্তর : জি।

প্রশ্ন : একুশের চোখ অনুষ্ঠানে রঘুনাথের সাক্ষাৎকার কি তার নিজ বাড়িতে নেয়া হয় না অন্যত্র নেয়া হয়?

উত্তর : জি, তার বাড়িতে নেয়া হয়। (আপত্তিসহ)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Archive I: Media Archive

Archives news reports, opinions, editorials published in different media outlets from around the world on 1971, International Crimes Tribunal and the justice process.

Archive II: ICT Documentation

For the sake of ICT’s legacy this documentation project archives, and preserves proceeding-documents, e.g., judgments, orders, petitions, timelines.

Archive III: E-Library

Brings at fingertips academic materials in the areas of law, politics, and history to facilitate serious research on 1971, Bangladesh, ICT and international justice.

Archive IV: Memories

This archive records from memory the nine-month history of 1971 as experienced and perceived by individuals from all walks of life.

Partners

Website Sections

External Resources

Tools

About Us

Follow Us