সাঈদীর নাম-বয়স পাল্টানোর বিষয় খতিয়ে দেখবে সংসদীয় কমিটি
ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধকালে হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও জোর করে ধর্মান্তর করা সহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বয়স ও নাম পাল্টানোর বিষয়টি রোববার খতিয়ে দেখবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেননের একান্ত সচিব নাঈমুল আজম খান বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দাখিল পাস করার ৫১ বছর পর অনিয়মের মাধ্যমে নাম ও বয়স পাল্টানোর বিষয়টি পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর কমিটির সভাপতি নিজেই বিষয়টি আলোচনার জন্য এজেন্ডাভূক্ত করেন।
কমিটির নোটিশ থেকে জানা গেছে, ১২ আগস্ট অনুষ্ঠেয় ৩০তম বৈঠকের আলোচ্যসূচির ৭ নম্বরে রাখা হয়েছে সাঈদীর নাম ও বয়স পাল্টানোর বিষয়টি।
কমিটি সূত্র জানায়, মাদ্রাসা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যানের পক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন আমলা ও বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদারেছিনের কয়েকজন নেতা সাঈদীর পক্ষে কাজ করেছেন বলে কমিটির কাছে অভিযোগ রয়েছে।
সাঈদীর দশ বছর বয়সে (!) দাখিল পাস করা ও পাস করার ৫১ বছর পর নাম ও বয়স পাল্টানোর খবরটি বাংলানিউজসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। পরে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষাসচিব মাদরাসা বোর্ডের কাছে এ সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র তলব করেন।
প্রসঙ্গত, পাবলিক পরীক্ষার আইন অনুযায়ী পাস করার দুই বছরের মধ্যে একজন উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর বয়স সংশোধন করা যায়। কিন্তু দেলাওয়ার হোসাঈন সাঈদী নাম ও বয়স পাল্টেছিলেন পাস করার ৫১ বছর পর।
১০ বছর বয়সে দাখিল পাস করা অসম্ভব জেনে ২০০৮ সালের ১০ নভেম্বর মাত্র ৪ ঘণ্টায় সাঈদী দাখিল ও আলিম পাসের সার্টিফিকেটে নাম ও বয়স পাল্টান।
১৯৫৭ সালে মাদরাসা বোর্ড থেকে দেওয়া দাখিলের সার্টিফিকেটে তার নাম ছিল আবু নাইম মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। কিন্তু ২০০৮ এ নাম নেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
Keywords/









Leave your response!