TwitterFacebook

আলবদর ১৯৭১ : পর্ব ১১

Author : মুনতাসীর মামুন
Source : http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=16&dd=2012-09-05&ni=108183

(পূর্ব প্রকাশের পর)
আমার মালপত্র গাট্টি, চশমা এমনকি জুতা পর্যন্ত নিয়ে নিল। আমি টেট্রনের প্যান্ট পরেছিলাম। একজন ছুঁয়ে বলল যে, ‘এর প্যান্ট কি করবে?’ আরেকজন জবাব দিল, ‘কালকে মরবে তো, তারপর নিয়ে নিও।’ আমি বাঁধা অবস্থায় ছিলাম। এরপরও দরজায় দুই পাহারাদার আমাকে পাহারা দেয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। রাত হয়ে গিয়েছিল। সিদ্ধান্ত ছিল শেষ রাত চারটায় আমাকে গুলি করে উড়িয়ে দেয়া হবে। আমি ঘুমিয়ে গেলাম। রাতের প্রায় দুই আড়াইটার সময় একটা স্বপ্ন দেখলাম যে, একটি পরিষ্কার রাস্তা আমার সামনে। আর একটি গায়েবি আওয়াজ সে রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য হেফাজত করছিল। সামনে কোন লোক ছিল না। শুধু আওয়াজটাই শোনা যাচ্ছিল। তিনবার এরূপ হওয়াতে আমার চোখ খুলে গেল। আমার একীন হয়ে গেল যে, এটি আল্লাহর পক্ষ হতে ইশারা। এখন আমি সজোরে আমার হাত মুক্ত করে ফেললাম। তারপর চোখের পট্টিও খুলে নিলাম। তারপর আমার সাথীকে মুক্ত করলাম।
পাহারাদার তখন ঘুমাচ্ছিল। এখন তো আল্লাহর সাহায্যের ব্যাপারে আইন একীন (নিশ্চিত বিশ্বাস) হয়ে গেল। চুপে চুপে উঠলাম। খুব আস্তে দরজা খুললাম। আর বাইরে বেরিয়ে গেলাম। আমার পরে আমার সাথীও বেরিয়ে গেল। আমরা নিহত হওয়ার স্থান থেকে বের হয়ে উভয়ে পূর্ণ শক্তিতে পালানো শুরু করলাম। প্রায় ১ মাইল দূরে পূর্ব পাকিস্তানের জমিয়তের এক সাবেক নাজিমের ঘরে গিয়ে পৌঁছলাম। তখন রাত সাড়ে তিনটা নাগাদ হবে।
চারটায় আমার মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু আমি এখন তাদের হাতের নাগালের বাইরে। আল্লাহ আমাকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়ে এনেছেন। মনে হলো রাস্তাটি স্বপ্নে দেখা রাস্তাটির মতোই পরিষ্কার। সাথী আলাদা রাস্তা ধরে চলে গেল।
২০ ডিসেম্বর আমি পোশাক বদল করে ঢাকার ফরিদাবাদের এক আত্মীয়ের কাছে চলে গেলাম। ২ জানুয়ারি পর্যন্ত ওখানেই রইলাম। ঢাকায় খবর হয়ে গিয়েছিল যে, আশরাফ মারা গেছে। তার বড় ভাই আত্মগোপন করেছে। পত্রপত্রিকা আমার ছবি ছেপে দেয়, যা আসলে ছিল শওকত ইমরানের।
এখান থেকে গ্রামে একজন আত্মীয়ের কাছে চলে গেলাম। ৮ জানুয়ারি নিজের গ্রামে গেলাম। এক সপ্তাহ সেখানে থাকলাম। সেখানে কোন বিপদশঙ্কা ছিল না। ১৫ জানুয়ারি জানা গেল যে, ১২ জানুয়ারি সংবাদপত্রে আমার ছবি এবং অনুসন্ধানে সহযোগিতার খবর ছাপানো হয়েছে। লেখা হয়েছিল যে, অনুসন্ধানকারীকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে। ওই দিনই আমি আমার আরেক প্রিয়জনের কাছে চলে গেলাম। এভাবে থেমে থেমে ১৯ মার্চ যশোর জেলার কালীগঞ্জে এক আত্মীয়ের কাছে চলে গেলাম। ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে রইলাম। খবর এল যে, আমাদের ঘরবাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে এবং বাড়ির লোকজনের ওপর নির্যাতন শুরু হয়ে গেছে। আমার ছোট ভাইকে প্রাণে মারার জন্য আটক করা হয়। কিন্তু সেও পালিয়ে যায়।
২৬ মার্চ এই ভূখ-কে বিদায় জানালাম এবং কলকাতায় এক পরিচিত লোকের কাছে উঠলাম। সেখানে একজন বড় হৃদয়বান মুসলমান আহমদের সাথে দেখা হলো। তিনি বিভিন্ন প্রশ্ন করে আমাকে পরীক্ষা করতে লাগলেন। যখন তিনি নিশ্চিত হয়ে গেলেন, তখন তিনি আমাকে বহু সাহায্য করলেন।
ওখান থেকে দিল্লী গেলাম। তারপর ওখান থেকে পাটনা, একইভাবে বিহারের পথ ধরে ওরাটনগর ও নেপালের অন্যান্য বড় বড় শহরে পৌঁছলাম। ওখানে এক ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাত হলো। তিনিও আমার মতো বিদেশী ছিলেন। ১৯ এপ্রিল আমরা কাঠমন্ডু পৌঁছলাম। পাকিস্তান দূতাবাসকে অবহিত করলাম। তাসনীম আলম মানজারকেও (পাকিস্তান জমিয়তে তালাবার সভাপতি) চিঠি লিখলাম।
প্রথমে বাসস্থানের ব্যবস্থা দূতাবাসই করল। আমাকে মাসিক ৬০ টাকা করেও দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু জানি না কি কারণে খুব শীঘ্রই এ ব্যবস্থাটি রহিত করা হয়। আমরা ১০-১২ জন লোক একটি ভাড়া বাড়িতে বাস করতে লাগলাম। এখানে আমাদের সাবেক নাজেমে আলা ও ৮-১০ জন সঙ্গী পরবর্তীতে এসে পৌঁছান। আমরা শর্টহ্যান্ড টাইপ রাইটিং ও অন্যান্য পেশাগত বিদ্যা শেখা শুরু করে দিলাম। আমি যখন এলাম, তখন আমাদের সাথী ছোটখাটো ব্যবসা করার প্লান শুরু করে দিলেন। আমরা এখানে সভা-বৈঠকের ব্যবস্থাও চালু করে দিলাম। সামগ্রিকভাবে দূতাবাস আমাদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেনি। আমাদের ২-৩ জন সাথী ব্যক্তিগত খরচে পাকিস্তান যেতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু তাদের অনুমতি দেয়া হয়নি। ৩১ অক্টোবর আমরা ৩ সাথী পাকিস্তান যাবার জন্য রেঙ্গুনে পৌঁছলাম। ওই দিনই সেখান থেকে করাচী পৌঁছলাম। নেপাল পৌঁছার পর জানা গেল যে, আমরা যে ডায়েরি যা তাদের হস্তগত হয়েছিল বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার কয়েকটি পত্রিকা ‘জল্লাদের ডায়েরি’ শিরোনামে কিস্তি আকারে প্রকাশ করেছিল। সে ডায়েরিতে অনুপ্রবেশকারী অনুচর ও ভারতীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযানের কিছু পরিকল্পনা ছিল এবং অভিযানের ফলাফল দেখা হতো, আলবদর ক্যাম্প থেকে চলে আসার সময় এক সাথীকে বলেছিলাম, স্যুটকেস থেকে ডায়েরিটা বের করে যেন নষ্ট করে ফেলে। কিন্তু, তিনি হয়ত ভুলে গিয়েছিলেন।”
আশরাফুজ্জামানের বক্তব্য কিছুটা অতিরঞ্জিত হতে পারে, কিন্তু এখানেও লক্ষণীয় যে, মুক্তিবাহিনী তাকে ধরার পরও হক নামে এক ব্যক্তি তাকে রক্ষা করে। পরে তাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়। এবং মুক্তিবাহিনীর শৈথিল্যের কারণেই আলবদরদের প্রধান জল্লাদ ছাড়া পেয়ে যায়। উল্লেখ্য, আশরাফুজ্জামানের সেই ডায়েরিটার কথাও সবাই ভুলে গেছেন। সেটি কোথায় সে খবরও কেউ রাখেনি। অধিকাংশ আলবদর এভাবে মুক্তিবাহিনী, আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সপক্ষের রাজনৈতিক কর্মীর শৈথিল্যের কারণে পালাতে পেরেছে বা জনসমাগমে নিজেদের লুকিয়ে রাখতে পেরেছে। আশ্চর্য, ১৯৭১ সালের পর এই নিয়ে তিনবার আওয়ামী লীগ ও জোট ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু আলবদরদের বিরুদ্ধে সংহত পরিকল্পনা নিয়ে খোঁজখবরের চেষ্টা করেনি। এখন আলবদর বন্ধু মনসুর খালেদের বই প্রকাশিত হওয়ার পর তাদের কাছ থেকে কিছু তথ্য জানা গেছে।
আলবদর নেতারা আগে থেকেই তাদের পলায়নের পথ ছকে রেখেছিলেন। ধেড়ে আলবদরÑ যেমন : নিজামী, মুজাহিদ, আশরাফুজ্জামান ও অন্যরা পালিয়েছিলেন কাঠমন্ডু। নেপাল বাংলাদেশের সমর্থক ছিল। তারপরও দেখি, কাঠমন্ডুর মতো জায়গায়, যেখানে ভারতীয় গোয়েন্দাদের প্রভাব প্রবল, সেখানে আলবদররা সংঘবদ্ধ হয়ে অপারেট করছে। কাঠমন্ডু হয়ত ভাবেনি আলবদররা সেখানে আশ্রয় নিতে পারে। শত্রুর এই ধরনের মনোভাব জেনেই বড় আলবদররা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
মাঝারি ধরনের আলবদররা পালিয়েছিল বার্মায়। সেখানকার রোহিঙ্গারা তাদের সমর্থন করেছে। প্রত্যেক জায়গায়ই পাকিস্তানী দূতাবাস তাদের সাহায্য করেছে। এবং প্রায় প্রত্যেকেই ভারত হয়ে পাকিস্তান গেছে। পাকিস্তানে গিয়ে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের সাহায্যে দেশের আলবদরদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। এবং মেসিয়াহ্্র জন্য অপেক্ষা করেছে।
আলবদরদের মেসিয়াহ্্ বা ত্রাণকর্তারূপে আবির্ভূত হলেন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে খ্যাত লে. জে. জিয়াউর রহমান। আগেই ইঙ্গিত করেছি, তার উত্থানের পেছনে আলবদরদের সমর্থন ছিল; না হলে ক্ষমতায় এসেই তিনি আলবদরদের জন্য ‘আলবদর পুনরুজ্জীবন’ প্রকল্প গ্রহণ করতেন না। এর বিপরীতে জিয়া-বন্ধুদের কোন যুক্তি আছে কিনা জানি না।

১০. আলবদররা কেন যুদ্ধাপরাধী
প্রতিটি আলবদরই যুদ্ধাপরাধী। তারা ছিল পাকিস্তানী বাহিনীর সহযোগী শক্তি। তবে সরাসরি অধীনস্থ। তারা কখনও কখনও স্বাধীনভাবে কাজ করলেও পাকিস্তানী সেনা কমান্ডের অনুমতি ছাড়া তারা কাজ করতে পারত না। তাদের প্রশিক্ষণ, বেতন, অস্ত্রশস্ত্র সব পাকিস্তানী বাহিনীই যোগাত। সুতরাং ১৯৭১ সালের খুন, ধর্ষণ, হত্যা, লুট, অগ্নিসংযোগ সবকিছুর দায়দায়িত্ব তাদের ওপরও বার্তায়। এ কারণে, নিজামী থেকে আশরাফুজ্জামান বা যে কোন আলবদরেরই বিচার হওয়া উচিত।
পাকিস্তান বাহিনীর ওপর নির্ভরতা ও তাদের হয়ে কাজ করার প্রমাণও এখন পাওয়া যাচ্ছে। মনসুর খালেদের বইয়ের একটি অধ্যায় আছে, যার শিরোনাম : ‘আলবদরদের অবদান।’ তিনি বিভিন্ন সাক্ষাতকার, পত্রপত্রিকা থেকে আলবদর সম্পর্কে পাকিস্তানীদের বিবৃতি বক্তৃতা সঙ্কলন করেন।
এসব পাকিস্তান সরকার ও পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততাই তুলে ধরে। এবং এগুলোও যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ।
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বেসামরিক প্রশাসনের দেখাশোনাও তিনি করতেন। বুদ্ধিজীবী হত্যার জন্য তিনি দায়ীÑ এ কথা অনেকেই বলেছেন। আমিও মহিউদ্দিন আহমদ রাওয়ালপিন্ডিতে যখন তার সাক্ষাতকার নিই, তখন তিনি ১৯৭১ সালের গণহত্যার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি আমাকে বলেছেন [১৯৯৮] যে, রাজাকার, আলবদর, আলশামস সবকিছু ছিল নিয়াজির নিয়ন্ত্রণে। তিনি এর কিছুই জানেন না, ৯-১০ ডিসেম্বরের একটি ঘটনার কথা তিনি উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়Ñ
“শুনুন, জেনারেল শামসের ছিলেন পিলখানার দায়িত্বে। তিনি আমাকে তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। তিনি জানান, আমাদেরকে জেনারেল নিয়াজির সঙ্গে দেখা করতে হবে। জেনারেল নিয়াজীর সঙ্গে সাধারণত আমাদের কোন বৈঠক হয় না। জেনারেল শামসেরকে বললাম, ঠিক আছে যাব। পিলখানায় পৌঁছতে পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে এল। সেখানে দেখলাম কিছু গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, গাড়িগুলি দাঁড়িয়ে কেন? তিনি বলেন, বিশেষ উদ্দেশ্যে আমরা জেনারেল নিয়াজির কাছে যাচ্ছি, সেজন্যই গাড়িগুলি এখানে। তারপর বললেন, কয়েকজন লোককে গ্রেফতার করতে হবে। জিজ্ঞেস করলাম, কেন, বললেন, কথাটা নিয়াজিকেই তুমি জিজ্ঞেস করো। এতে তোমার মত কি? আমি বললাম, স্যার, এখন কাউকে গ্রেফতারের সময় নয়, বরং এখন কতলোক আমাদের সঙ্গে আছে সেটিই দেখার কথা।”
এই যে গ্রেফতার ও গাড়িগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এখানেই ইঙ্গিত আছে আলবদরদের। আলবদররা তখন বিভিন্ন এলাকায় হানা দিয়ে মানুষ তুলে নিচ্ছে। এই গাড়িগুলো আলবদরদের দেয়া হতো মানুষজনকে তুলে নেয়ার জন্য।
আমাকে যখন জেনারেল ফরমান এ কথাগুলো বলেন, তখন বোধহয় তিনি ভুলে গিয়েছিলেন, ১৯৮৩ সালে দৈনিক জং ও দৈনিক নওয়ায়ে ওয়াক্তে এক সাক্ষাতকারে তিনি কী বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আলবদর ও আলশামসের কার্যকলাপের আমি প্রত্যক্ষ দর্শক। এই দুটি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মোকাবেলায় তাদের জান কুরবান করেছিল।”
জেনারেল নিয়াজি কিন্তু ব্যাপারটা অস্বীকার করেননি। আমাকে তিনি বলেছিলেন [১৯৯৮], আলবদর, আলশামস আমারই সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়াটি আমি শুরু করি মে মাস থেকে। ওরা সরাসরি আমার কমান্ডে ছিল।”
২১ মে ১৯৭১ সালে আলবদর বাহিনীর যাত্রা শুরু। যে মেজর রিয়াজ এদের সংগঠিত করেছিলেন, তিনি মনসুরকে জানিয়েছিলেন, “তারা বাঙালী হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানের অখ-তা ও প্রতিরক্ষাকে ইমানের অংশ ও দ্বীনের দাবি বলে মনে করতেন।”
ব্রিগেডিয়ার সিদ্দিক সালিকের নাম আমাদের পরিচিত। ঢাকায় ১৯৭১ সালে তিনি ছিলেন। বইও লিখেছেন। ম্যায়নে ঢাকা ডুবতে দেখা গ্রন্থে তিনি লিখেছিলেন, “আলবদর, আলশামস ও রাজাকাররা পাকিস্তানের জন্য তাদের জীবনকে উৎসর্গ করেছিল। যে কোন আদেশ তারা সম্পূর্ণভাবে পালন করত।
ভাল বলেছেন আলবদরদের সুপার বস আবুল আলা মওদুদী। ১৯৭৩ সালে করাচীর দৈনিক জসরত পত্রিকায় তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তানে যখন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন চলছে তখন আলবদররা পাকিস্তানের ঐক্যের পক্ষে কাজ করছিল। (চলবে)

This item has been recorded here as part of ICSF's Media Archive Project which is a crowd sourced initiative run by volunteers, a not for profit undertaking to facilitate education and research. The objective of this project is to archive media items generated by different media outlets from around the world - specifically on 1971, and the justice process at the International Crimes Tribunal of Bangladesh. This archive also records items that contain information on commission, investigation and prosecution of international crimes around the world generally. Individuals or parties interested to use content recorded in this archive for purposes that may involve commercial gain or profit are strongly advised to directly contact the platform or institution where the content is originally sourced.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Facebook Comments

comments

Archive I: Media Archive

Archives news reports, opinions, editorials published in different media outlets from around the world on 1971, International Crimes Tribunal and the justice process.

Archive II: ICT Documentation

For the sake of ICT’s legacy this documentation project archives, and preserves proceeding-documents, e.g., judgments, orders, petitions, timelines.

Archive III: E-Library

Brings at fingertips academic materials in the areas of law, politics, and history to facilitate serious research on 1971, Bangladesh, ICT and international justice.

Archive IV: Memories

This archive records from memory the nine-month history of 1971 as experienced and perceived by individuals from all walks of life.

Partners

Website Sections

External Resources

Tools

About Us

Follow Us