লন্ডনে তুরস্ক দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ
সৈয়দ আনাস পাশা, লন্ডন করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
তুরস্ক দূতাবাস, কেন্দ্রীয় লন্ডন থেকে: বাংলাদেশে চলমান যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন আসামিদের ক্ষমা করে দেওয়ার আহবান জানিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে লেখা তুরস্কের রাষ্ট্রপতির চিঠির প্রতিবাদে লন্ডনে অবস্থিত তুর্কি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে।
বুধবার লন্ডন সময় সকাল ১১টায় ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরামের উদ্যোগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও ওয়ারক্রাইম ট্রায়াল স্টেইজ ইউকেসহ বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় লন্ডনের বেলগ্রেইভ স্কোয়ারে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে তুরস্কের রাষ্ট্রপতির সুপারিশের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
এসময় শেইম অন ইউ টার্কিস প্রেসিডেন্ট, নো ইন্টারফেয়ারেন্স অন বাংলাদেশ, ওয়ান, টু, ত্রি, ফোর, ইন্টারফেয়ারেন্স নো মোর, ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে দূতাবাসের সামনের রাস্তা।
বিক্ষোভকারীদের হাতে তুরস্কের রাষ্ট্রপতির চিঠির প্রতিবাদ সম্বলিত বিভিন্ন রঙের ব্যানার ও প্লাকার্ড শোভা পাচ্ছিলো।
বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে একটি প্রতিনিধি দল তুর্কি দূতাবাসে স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের মতো স্বাধীন সার্বভৌম দেশের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রপতির লেখা চিঠিকে কূটনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থী উল্লেখ করে অবিলম্বে এ চিঠি প্রত্যাহারের আহবান জানানো হয়।
বিক্ষোভে উপস্থিত উদ্যোক্তারা তুরস্কের রাষ্ট্রপতির লেখা চিঠির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, একটি স্বাধীন দেশে বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন বিচারের রায় কী হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রপতির আব্দুল্লাহ গুল কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন।
বিক্ষোভের অন্যতম উদ্যাক্তা সংগঠক ব্লগার নিঝুম মজুমদার বাংলানিউজকে বলেন, “একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অপচেষ্টা করে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি আধুনিক বিশ্ব রাজনীতিকেই বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন। এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কাছ থেকে আমরা আশা করিনি।”
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতা আনসার আহমেদ উল্লাহ বাংলানিউজকে বলেন, “পৃথিবীর ইতিহাসে নারকীয় হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সুপারিশ করে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি আব্দুল্লাহ গুল সভ্যতার বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন।”
বাংলাদেশ সময়: ০০০১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৭, ২০১৩
সম্পাদনা: জয়নাল আবেদীন, নিউজরুম এডিটর
17 Jan 2013 12:13:08 AM Thursday BdST
Keywords/Tags: international crime tribunal Bangladesh, no interference on Bangladesh, Shame on you turkeys president, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, ওয়ারক্রাইম ট্রায়াল স্টেইজ ইউকে, কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন, তুরস্কের রাষ্ট্রপতির চিঠির প্রতিবাদ, নো ইন্টারফেয়ারেন্স অন বাংলাদেশ, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি, বিচারাধীন আসামিদের ক্ষমা করে দেওয়ার আহবান, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে তুরস্কের রাষ্ট্রপতির সুপারিশ, রাজনৈতিক দল, লন্ডনের তুর্কি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ, লন্ডনের বেলগ্রেইভ স্কোয়ারে বিক্ষোভ, শেইম অন ইউ টার্কিস প্রেসিডেন্ট









Leave your response!